HeaderDesktopLD
HeaderMobile

কমিটির প্রেসিডেন্ট বলে কথা, পুজো ভারী ব্যস্ততায় কাটে পরিচালক রাজা চন্দর

0

পুজোর আর কটা দিন মাত্র বাকি। হেভিওয়েট সেলেব্রিটিদের এ বছরের পুজোর প্ল্যান নিয়ে অনেকেই কৌতূহলী। এসব নিয়ে রংবাজ, ম্যাজিক, কিডন্যাপ-খ্যাত পরিচালক রাজা চন্দর (raja chanda) সঙ্গে আড্ডা দিলেন চৈতালি দত্ত। সম্প্রতি রাজা শেষ করেছেন ‘সেভিংস অ্যাকাউন্ট’ নামে একটি ছবি। সেইসঙ্গে ওয়েব সিরিজ, অ্যাড ফিল্ম মেকিং নিয়ে তাঁর ব্যস্ততা এখন চরমে।

পুজো কেমন করে কাটাবেন রাজা চন্দ?

আমি বহু বছর ধরে হোসেনপুর কিশোর সংঘ ক্লাবের পুজোর সঙ্গে যুক্ত। এই পুজোর আমি প্রেসিডেন্ট। পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী জাভেদ খানও এই পুজোর সঙ্গে জড়িত। আরবানা কমপ্লেক্সের পাশেই বড় পুজো প্যান্ডেল করা হয়। পুজোর প্রতিটি দিনই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমি এবং আমার স্ত্রী পিয়ান দুজনেরই প্যান্ডেলে সময় কাটে। পুজোর নানা কাজকর্ম ছাড়াও অনেক দায়দায়িত্ব আমাদের ওপর থাকে। প্রতিদিন সকালে স্নান সেরে নতুন জামাকাপড় পরে পুজো প্যান্ডেলে চলে যাই। সেখানেই অঞ্জলি দেওয়া থেকে শুরু করে খাওয়া-দাওয়া, আড্ডা মারা সব মিলিয়ে সময় যে কীভাবে কেটে যায় বুঝতে পারি না। সারাবছর নিজেদের কাজকর্ম নিয়ে এতটাই ব্যস্ততার মধ্যে থাকতে হয় যে দুর্গাপুজো হল আমাদের কাছে টাটকা বাতাস। সারা বছর এই কটা দিনের জন্য অপেক্ষা করে থাকি।

এই ক্লাবটি পুজো ছাড়াও নানা রকম সামাজিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। অষ্টমীর দিন আমি এবং আমার স্ত্রী দুজনেই অঞ্জলি দিই। এছাড়াও এদিন সন্ধ্যেবেলায় আমার স্ত্রী ধুনুচি নাচেন। এখানে অনেক সাধারণ মানুষকেও আমিষ এবং নিরামিষ খাওয়ানো হয়। যাবতীয় কোভিড বিধি মেনেই সরকারি গাইডলাইন অনুযায়ী এই পুজো করা হয়। কোনও রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এ বছর আদৌ করা যাবে কিনা এখনও পর্যন্ত সরকারি কিছু নির্দেশ পাওয়া যায়নি। তাই সে ব্যাপারে কিছুই বলতে পারছি না।শপিং করেছেন পুজোয়?

সারা বছরই তো আমাদের শপিং চলে। তাই নিজেদের জন্য কিছু কেনাকাটা হয়নি। তবে পিয়ান আমার এবং ওদের বাড়ির জন্য কেনাকাটা করেছে। কারণ এই দিকটা ও-ই সামলায়।

তবে ইচ্ছা আছে এরমধ্যে একদিন সময় বের করে নিজেদের জন্য শপিং করতে যাব। আর পুজোর পর দু- চার দিনের জন্য কলকাতার বাইরে বেড়াতে যাব। কিন্তু সেটা কোথায় এখনও তা ঠিক হয়নি।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.