HeaderDesktopLD
HeaderMobile

রোগা হওয়ার সহজ উপায় খুঁজবেন না, পুজোর আগে থেকেই নজর দিন সুস্থতায়

0 133

শরীর কী ভাবে সুস্থ রাখবেন? কী খেলে কমবে পেটের বাড়তি মেদ? পুষ্টিকর ডায়েটই বা কীরকম হয়?  এই নিয়ে চিন্তার শেষ থাকে না। তার ওপর এই লকডাউনে দীর্ঘ দিন বাড়িতে থাকার জন্যে প্রায় প্রত্যেকেরই শরীরের মেদ বেড়েছে কম বেশি! তার মধ্যেই এসে গেছে পুজো। কিন্তু চটজলদি রোগা হওয়া কি সত্যিই সম্ভব? মিথ্যে আশ্বাস নয়। কারণ শারীরবিজ্ঞান ও প্রকৃতির বিরুদ্ধে গিয়ে  কিছু করলে তা কখনও ভাল ফল হয় না। এ বিষয়ে তাই জেনে নিন, নিউট্রিশনিস্ট অবনী কাউলের মতামত।

‘নিউট্রিঅ্যাক্টিভানিয়া’র কর্ণধার অবনী কিন্তু হতাশও করছেন না তাই বলে। বাতলে দিচ্ছেন, রোগা হবেন কী করে? কী করে নিয়ন্ত্রণ করবেন দেহের অতিরিক্ত মেদ?

প্রথমত,  কোনও নির্দিষ্ট খাবারই ফ্যাট কমাতে বা মাসল্ তৈরি করতে পারে না। শরীরের নির্দিষ্ট একটি অংশের মেদ ঝরানো কোনও একটি নির্দিষ্ট ডায়েটের পক্ষে সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, কিছু খাবার থাকে যা নিয়ম মেনে সময় মতো খেলে শরীর সুস্থ থাকে। বজায় থাকে সুস্বাস্থ্য এবং দেহের স্বাভাবিক ওজন।

এ জন্য কিছু খাবারের কথা বলেছেন অবনী। সেগুলি হল: ডিম,  স্যালাড, চিয়া সিডস, মুসুরডাল ইত্যাদি। তিনি জানালেন, ডিম শুধুই প্রোটিনজাতীয় খাদ্য হিসবে উপকারি নয়,  তা শরীরের ওজন ঠিক রাখতেও সাহায্য করে। ডিমকে সুষম খাবার বলে এ জন্যই।

পাশাপাশি, স্যালাডের উপকারিতা আসীম। যে কোনও কাঁচা সবজিতে রয়েছে ফাইবার যা শরীরের ক্যালোরিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সুস্বাস্থ্য গঠনে সহায়তা করে। তাই নিয়মিত কাঁচা শাকসব্জি স্যালাড হিসেবে খাওয়া খুব জরুরি। এর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও শরীরকে তরতাজা ও সুস্থ রাখে।

চিয়া সিডস্ এই সময়ের একটা জরুরি ও উপকারী খাবার। ওজন কমানোর জন্য এই বীজ যেমন কার্যকর, তেমনই এটি নিয়মিত খেলে দুর্বলতা দূর হয়। এতে ফাইবার থাকার জন্যে পেটকেও ভর্তি রাখে। আবার আমাদের রোজকার খাবার মুসুর ডালের গুণও কম নয়। মুসুর ডালের মধ্যে রয়েছে ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম। এতে রয়েছে হাই প্রোটিন এবং ফাইবার, যা সম্পূর্ণ ভাবে খিদেকে মিটিয়ে দিতে সাহায্য করে। এবং অন্যান্য খাবারের থেকে এটি অনেক সহজেই তৈরি করা যায়। শরীরে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালরিও তৈরি করে না ডাল।

এই খাবারগুলি বেশি করে খেলে, শরীরে কার্বস বা শর্করার চাহিদাও এমনিই কমে যাবে, যা ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে। তবে এটা একটা অভ্যেস। এই খাবারগুলো ডায়েটে তথা লাইফস্টাইলে ঢুকিয়ে নিতে হবে। খুব অল্প সময়ে কিছু খেয়ে বা কিছু না খেয়ে দ্রুত রোগা হয়ে যাওয়ার ম্যাজিক কখনওই স্বাস্থ্যকর নয়। অবনীর কথায়, “তাই আমি বলব, শুরু করুন আজই। ফল মিলতে শুরু করবে। রাতারাতি কাঙ্ক্ষিত স্ট্যাটিস্টিক্স হয়তো পেয়ে যাবেন না, কিন্তু আপনার শরীর সাড়া দেবে এই সতেজ ডায়েটে।”

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.