HeaderDesktopLD
HeaderMobile

‘কাগজে কোলাজে’ সাজছে হাতিবাগানের পুজো, কোভিড-বিধি মেনেই আমন্ত্রণ দর্শকদের

0 134

উত্তর কলকাতার অন্যতম বড় পুজো হাতিবাগান সর্বজনীন। শহরের আদি এই দুর্গোৎসব তাদের প্রস্তুতি পর্ব চালাচ্ছে জোরকদমে। করোনা সংক্রমণের মধ্যেই হাতিবাগান সর্বজনীন এ বছরও  থিমের পুজোতেই গা ভাসিয়েছে। এবার তাদের পুজোর থিম, ‘কাগজে কোলাজ’। শিল্পী সঞ্জীব সাহার ভাবনায় গড়ে উঠছে হাতিবাগান সর্বজনীনের শারদোৎসব।

গোটা মণ্ডপটিই তৈরি হয়েছে খবরের কাগজ ও ম্যাগাজিন দিয়ে। কাগজের চায়ের কাপের ব্যবহার করা হয়েছে মণ্ডপসজ্জায়। শুধু মণ্ডপই নয়, প্রতিমাও তৈরি হচ্ছে খবরের কাগজ ও ম্যাগাজিন কেটে। যার অভিনবত্ব মন কাড়বে দর্শকদের, তেমনই দাবি এই দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তাদের।

সঞ্জীব সাহার ভাবনাকে কার্যকর করতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডেবরা থেকে এক ঝাঁক শিল্পীকে আনা হয়েছে হাতিবাগানে। দিনরাত পরিশ্রম করে তাঁরাই সাজিয়ে তুলেছেন উত্তর কলকাতার এই আদি দুর্গোৎসব। কাগজের দেবীমূর্তিটিও গড়েছেন শিল্পী সঞ্জীব সাহা নিজেই।

করোনার দাপটে এবারের পুজোর বাজার থেকে ৬০ শতাংশ বাজেট কমে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন হাতিবাগান সর্বজনীন পুজো কমিটির অন্যতম কর্তার শাশ্বত বসু। তিনি বলেছেন, “কোভিড সংক্রমণের জেরে পুজোর বাজেট কমে গিয়েছিল আমাদের। তার পর থেকেই ভাবনা শুরু হয়েছিল, এমন কিছু জিনিস দিয়ে আমাদের পূজো মণ্ডপ তৈরি করতে হবে যার খরচ অত্যন্ত কম। শিল্পী সঞ্জীব সাহা যখন কাগজের কোলাজ থিমের কথা আমাদের শোনান তখনই আমরা সে ব্যাপারে সায় দিয়েছি।”

ইতিমধ্যেই কলকাতার দুই পুজো কমিটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার ও বেহালার দেবদারু ফটক দর্শনার্থীদের জন্য মণ্ডপ বন্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন। প্রসঙ্গে তারা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ভয়াবহতাকেই দায়ী করেছে।

তবে হাতিবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির সদস্য শ্বাশত বসু বলেন, “আমরা তেমন কোনও সিদ্ধান্ত নেব না। মণ্ডপের চারদিকে খোলা থাকছে। যাতে দর্শনার্থীরা দূর থেকে মাকে প্রণাম করতে পারেন । এছাড়াও আমরা কতগুলি বিধিনিষেধ বেঁধে দিয়েছেন দর্শনার্থীদের জন্য। দর্শনার্থীরা মন্ডপে প্রবেশ করলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। তাঁদের থার্মাল স্ক্রিনিং করার পর ঢুকতে দেওয়া হবে। মণ্ডপে একসঙ্গে কখনওই বেশি দর্শনার্থী থাকতে পারবেন না। পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার সময় প্রতিবারে এক সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ জন থাকতে পারবেন এবং প্রতিবার অঞ্জলি হয়ে গেলে তার পরে বাকি লোকজনদের প্রবেশ করতে হবে। এবছর পুষ্পাঞ্জলি অনেকক্ষণ সময় ধরে হবে। দেখা থেকে অঞ্জলি সব বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা তৈরি।”

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.