HeaderDesktopLD
HeaderMobile

কেন করা হয় সন্ধিপূজা? এই পূজা করলে মহাফল লাভ হয় কেন

0 406

দুর্গাপূজা হল বসুন্ধরার বুকে নারীশক্তির উপাসনা। মহিষমর্দিনীর আরাধনার মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটে এবং শুভশক্তি জাগ্রত হয়। দুর্গাপূজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সন্ধিপূজা। অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট এবং নবমী তিথি শুরুর প্রথম ২৪ মিনিটকে বলা হয় সন্ধিক্ষণ। এই সন্ধিক্ষণে তন্ত্রমতে করা হয় ‘সন্ধিপূজা’। তন্ত্রমতে সন্ধিপূজা করা হয় বলে স্মার্ত রঘুনন্দন তাঁর ‘দুর্গোৎসব তত্ত্ব’ গ্রন্থে সন্ধিপুজোর জন্য পৃথক সঙ্কল্পের কথা বলেছেন। তবে চান্দ্রমাস ক্যালেন্ডার অনুসারে মাহেন্দ্রক্ষণটি নির্ধারিত হয় বলে প্রতিবছরই সন্ধিক্ষণটি পরিবর্তিত হয়।

সন্ধিপুজো আসলে অসুরনাশিনী দেবী দুর্গার আর এক অসুরদলনী রূপের পূজা। সেই দেবীর নাম ‘চামুণ্ডা’। অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে দেবী চামুণ্ডা চণ্ড ও মুণ্ড নামে দুই অসুরকে নিধন করেছিলেন। তাই অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণে দেবী চামুণ্ডার পূজা করা হয়।

দেবী চামুণ্ডার চণ্ড ও মুণ্ড নিধন উপাখ্যান

দেবাদিদেব মহাদেবের বরে অসীম শক্তিশালী হয়ে ওঠা শুম্ভ-নিশুম্ভ যুদ্ধে পরাজিত করেছিল দেবতাদের। ভয়ভীত দেবতাদের মহাদেব জানিয়েছিলেন, প্রদান করা বর তিনি ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। তবে দুই অজেয় অসুরকে পরাভূত করার পথ তিনি বলে দেবেন। পিনাকপাণি দেবতাদের বলেছিলেন দেবী দুর্গার আরাধনা করতে। অসুরনাশিনী দেবীই নিধন করবেন অসুরদ্বয়কে। দেরি না করে দেবতারা হিমালয়ে বসেই দেবী দুর্গার স্তব স্তুতি করতে শুরু করে দিয়েছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে শিবজায়া পার্বতী যাচ্ছিলেন গঙ্গাস্নানে। তাঁর কানে ভেসে এসেছিল দেবতাদের মুখনিঃসৃত ‘অপরাজিত স্তব’। মা পার্বতী তখন দানব-দলনী দুর্গার ‘কৌশিকী’ রূপ ধারণ করে দেখা দিয়েছিলেন দেবতাদের। শুম্ভ-নিশুম্ভকে সংহার করার সংকল্পের কথা দেবতাদের জানিয়েছিলেন দেবী কৌশিকী। আশান্বিত দেবতারা ফিরে গিয়েছিলেন স্বর্গে।

चामुण्डा देवी मंत्र

শুম্ভ ও নিশুম্ভের দুই চর চণ্ড ও মুণ্ড হিমালয়ে ঘোরাঘুরি করার সময় দেখতে পেয়েছিল দেবী পার্বতীকে। দেবীর অনির্বচনীয় সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে চণ্ড-মুণ্ড অসুরদ্বয় শুম্ভ নিশুম্ভের কাছে গিয়ে দিয়েছিল দেবীর রূপমাধুরীর বর্ণনা। তারা বলেছিল দেবলোকের এই নারী একমাত্র শুম্ভ নিশুম্ভের ঘরনি হওয়ার উপযুক্ত। সব শুনে শুম্ভ নিশুম্ভ বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে মহাসুর সুগ্রীবকে পাঠিয়েছিল দেবীর কাছে। মহাসুরের মুখে অকল্পনীয় কুপ্রস্তাব শুনেও ক্রুদ্ধ হননি দেবী। মিষ্টস্বরে সুগ্রীবকে দেবী বলেছিলেন, বাল্যকালে খেয়ালের বশে তিনি একটি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। যে পুরুষ তাঁকে যুদ্ধে হারিয়ে তাঁর দর্পচূর্ণ করতে পারবেন, তাঁকেই তিনি বিবাহ করবেন। সুগ্রীব যেন তাঁর প্রভু শুম্ভ নিশুম্ভকে বলেন দেবীকে যুদ্ধে হারিয়ে তাঁদের ঘরনি করে নিয়ে যেতে।

File:Sattva-rupa.jpg - Wikimedia Commons

বিফল-মনোরথ মহাসুর সুগ্রীব ফিরে গিয়েছিল শুম্ভ নিশুম্ভের কাছে। সুগ্রীবের মুখ থেকে এক নারীর এহেন ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা শুনে ক্রোধে হুঙ্কার দিয়ে উঠেছিল শুম্ভ নিশুম্ভ। হিমালয়বাসিনী উদ্ধত নারীর দর্পচূর্ণ করে তাকে ধরে নিয়ে আসার জন্য পাঠিয়েছিল অসুর সেনাপতি ধূম্রলোচনকে। বিশাল অসুরবাহিনী নিয়ে হিমালয়ে পৌঁছে ধূম্রলোচন দেবীকে যুদ্ধে আহ্বান জানিয়েছিল। সাড়া দিয়েছিলেন দেবী। অসুরবিনাশিনী কৌশিকী দিয়েছিলেন রণহুঙ্কার। সেই রণহুঙ্কারে কেঁপে উঠেছিল স্বর্গ মর্ত্য পাতাল। হুঙ্কারের তেজেই ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছিল ধূম্রলোচন। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেবী ধ্বংস করে ফেলেছিলেন ধূম্রলোচনের অসুরসেনাদেরও।

क्या पार्वती ही है माता दुर्गा, जानिए रहस्य... | Webdunia Hindi

রণক্ষেত্র থেকে পালিয়ে এসে কয়েকজন অসুর শুম্ভ নিশুম্ভকে জানিয়েছিল ধূম্রলোচন ও তার সেনাদের পরিণতির কথা। ক্রোধের আগুনে জ্বলতে জ্বলতে শুম্ভ-নিশুম্ভ, চণ্ড-মুণ্ডকে পাঠিয়েছিল দেবীকে ধরে আনার জন্য। চণ্ড-মুণ্ড গিয়ে দেবীকে পিছন থেকে আক্রমণ করেছিল। অসুরদ্বয়ের রণনীতি বিরুদ্ধ কাজে ক্ষিপ্ত হন দেবী কৌশিকী। প্রচণ্ড ক্রোধে তাঁর মুখ হয়ে নীলবর্ণ। জাগ্রত হয় ত্রিনয়ন।

ত্রিনয়ন থেকে নির্গত হওয়া তেজপুঞ্জ থেকে জেগে ওঠেন এক ভয়াবহ দেবী। সৃষ্টি হওয়া মাত্রই সেই দেবী অসুরদের ধরে ধরে ভক্ষণ করতে শুরু করেছিলেন। অষ্টমীতিথির বিদায় আর নবমীর আগমনের সন্ধিক্ষণে খড়্গের আঘাতে সেই দেবী অসুর চণ্ডের মুণ্ডচ্ছেদ করলেন। তারপর মুণ্ডের মুণ্ডচ্ছেদ করে আকণ্ঠ রক্তপান করলেন। চণ্ড-মুণ্ডের বিনাশ ঘটার পর দেবী কৌশিকী সদ্য জাগ্রতা অসীম শক্তির অধিকারী এই দেবীর নাম দিলেন ‘চামুণ্ডা’। আশ্বিনের শুক্লাষ্টমীর মাহেন্দ্রক্ষণে দেবী দুর্গার এই এই চামুণ্ডা রূপকেই আরাধনা করা হয় সন্ধিপূজার মাধ্যমে।

Instagram | Kali goddess, Kali mata, Kali hindu

সন্ধিপূজা ও ১০৮ পদ্মের উপাখ্যান

সন্ধিপূজার সময় মায়ের পায়ে নিবেদিত হয় ১০৮ লাল পদ্ম। এই ১০৮ টি পদ্মের পিছনেও আছে একটি পৌরাণিক কাহিনি। কৃত্তিবাসের রামায়ণ থেকে জানা যায় অসুর নিধনকালে দেবী দুর্গার সারা অঙ্গ জুড়ে সৃষ্টি হয়েছিল ১০৮টি ক্ষত। ক্ষতগুলির অসহনীয় জ্বালা জুড়োবার জন্য দেবাদিদেব মহাদেব মা দুর্গাকে দেবীদহে স্নান করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। দেবীদহে স্নান করার পর মায়ের শরীরের ১০৭ টি ক্ষত মিলিয়ে গিয়েছিল। সেই ১০৭টি ক্ষত থেকে সৃষ্টি হয়েছিল ১০৭টি পদ্ম। কিন্তু একটি ক্ষত তখনও অবশিষ্ট ছিল। দেবী দুর্গাকে ১০৮ তম ক্ষতের জ্বালায় কষ্ট পেতে দেখেছিলেন মহাদেব। তাঁর চোখ থেকে নির্গত হয়েছিল এক ফোঁটা অশ্রু। অশ্রুকণাটি গিয়ে পড়েছিল মায়ের ১০৮ তম ক্ষতে। মিলিয়ে গিয়েছিল মায়ের শরীরের অবশিষ্ট ক্ষতটিও। দেবীদহে থেকে গিয়েছিল ১০৭ টি পদ্ম।

Which is most important ritual associated with Durga Pooja in Kolkata? - Quora

ত্রেতা যুগে লঙ্কেশ্বর রাবণকে বধ করার জন্য আশ্বিনমাসে দুর্গাপূজার আয়োজন বা অকালবোধন করেছিলেন শ্রীরামচন্দ্র। সন্ধিপূজার শেষে শ্রীরামচন্দ্র দেবীর পায়ে ১০৮টি পদ্ম উৎসর্গ করতে চেয়েছিলেন। শ্রীরামচন্দ্র দেবীদহ থেকে ১০৮টি পদ্মফুল তুলে আনার জন্য ভক্ত হনুমানকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু দেবীদহ থেকে ১০৭ টি পদ্ম নিয়ে ফিরেছিলেন পবনপুত্র। কারণ দেবীদহে আর পদ্ম ছিল না। সুতরাং মায়ের পায়ে দেওয়ার জন্য একটি পদ্ম কম পড়েছিল।

সন্ধিক্ষণ চলে যাওয়ার উপক্রম হলে শ্রীরামচন্দ্র ধনুর্বাণ দিয়ে নিজের নীল পদ্মের ন্যায় চক্ষু দুটির মধ্যে একটি উৎপাটন করে মায়ের পায়ে অর্পণ করতে চেয়েছিলেন, ১০৮ তম পদ্ম হিসেবে। চক্ষু উৎপাটনের মুহূর্তে অবতীর্ণ হয়েছিলেন দেবী দুর্গা। শ্রীরামচন্দ্রকে বলেছিলেন, তোমাকে ১০৮ তম পদ্মটি দিতে হবে না। তুমি অকালবোধন করে পৃথিবীতে আমার পুনঃপ্রকাশ ঘটালে, এতেই আমি তুষ্ট। শ্রীরামচন্দ্রকে রাবণ বিনাশের বর দিয়ে অন্তর্হিত হয়েছিলেন দেবী। আসলে দেবী কী করে ১০৮ তম পদ্মটি নিজের পায়ে নেবেন! ওটি যে স্বয়ং মহাদেবের অশ্রু। এর পর মায়ের বরে বলীয়ান শ্রীরামচন্দ্র, এই অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণেই রাবণ বধ করেছিলেন।

History of Durga Puja, Origin of Durga Puja, Durga Akalbodhon, Untimely worship of Goddess Durga.

সন্ধিপূজার আচার-উপাচার

উলুধ্বনি, ঘন্টাধ্বনি, শঙ্খধ্বনি ও ঢাকের বাদ্যির মাধ্যমে মহা আড়ম্বরে দেবী দুর্গার সন্ধিপূজার আয়োজন করা হয়। দেবী শ্রীরামচন্দ্রের কাছে নিতে না চাইলেও, বাঙালির সন্ধিপূজায় ১০৮টি পদ্মই মায়ের পায়ে নিবেদন করা হয়। মায়ের সামনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় মাটির তৈরি ১০৮ টি প্রদীপ। সন্ধিপূজায় অনান্য উপকরণ হিসেবে লাগে স্বর্ণাঙ্গুরীয়ক (একটি), লোহা ও নথ (একটি), চেলির শাড়ি (একটি), শাড়ি (একটি), মধুপর্কের কাঁসার বাটি (একটি), থালা (একটি), ঘড়া (একটি), দধি, চিনি, মধু, ঘৃত, বালিশ (একটি), মাদুর (একটি), চন্দ্রমাল্য(একটি), ভোগ ও আরতির উপকরণ। নৈবেদ্যর মধ্যে প্রধান নৈবেদ্য হিসাবে লাল ফল এবং পুষ্পাদির মধ্যে জবাফুল থাকতেই হবে।

সন্ধিপূজা থেকে মহাফল লাভ হয়

‘স্মৃতি সাগর’ গ্রন্থে সন্ধিপুজো সম্পর্কে বলা হয়েছে “অত্র যা ক্রিয়তে পূজা বিজ্ঞেয়া সা মহাফলা”। অর্থাৎ সন্ধিপুজো করলে মহাফল লাভ হয়। কারণ সংসারী মানুষের জাগতিক দুঃখ দুর্দশার বিনাশ করার জন্য দশভুজা মহিষাসুরমর্দিনী, চতুর্ভুজা চামুণ্ডা রূপে আবির্ভূতা হন। এই সময়ে দেবী চামুণ্ডাকে নিষ্ঠাভরে পূজা করলে দেবী সকল জাগতিক দুঃখ দুর্দশার বিনাশ ঘটিয়ে ভক্তের সংসারকে সম্পদ ও আনন্দের প্রাচুর্যে ভরিয়ে তোলেন।

Significance of Sandhi puja done during Durga Puja | Metaphysics Knowledge

সন্ধিপূজা তান্ত্রিক মতে হওয়ার জন্য প্রাচীনকাল থেকেই সন্ধিপূজার সময় পশুবলি দেওয়ার প্রথা ছিল। পশুর মাংস, রক্ত ও সুরা উৎসর্গ করা হতো দেবী চামুণ্ডাকে। কিন্তু সেই প্রথাটি মায়ের ইচ্ছাতেই লোপ পাওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। ‘জ্যোতিষতত্ত্ব’ গ্রন্থে তাই হয়তো মায়ের সকল গৃহী ভক্তকে বলা হয়েছে সাত্ত্বিকভাবে সন্ধিপূজা করার জন্য। তবে সন্ধিপূজার মহাফল পেতে গেলে নিষ্ঠাভরে কিছু নিয়ম মানতে হবে। সারাদিন উপবাস করতে হবে। দেবীর জপমন্ত্র জপ করতে হবে।

Durga Pooja 2019: दुर्गा पूजा तिथियां, महत्‍व, पूजन, संधि पूजा... - Durga pooja dates importance saptami mahaashtami navami sandhi pujan all facts about mahishasur mardani poojan - Latest News & Updates in

চান্দ্রমাস ক্যালেন্ডার অনুসারে এবারের সন্ধিপূজা দিনের বেলা পড়েছে। ‘মৎস্যসূক্ত’ থেকে জানা যায়, সন্ধিপূজার মাহেন্দ্রক্ষণটি দিনে না হয়ে রাতের বেলা হলে অধিক ফল মেলে এবং সন্ধিপূজার ফলে সন্তান ও অর্থ লাভ হয়, ভক্তরা সর্বক্ষেত্রে জয়ী হয়, অন্তরের পাশবিক কামনা বাসনা দূরীভূত হয়।

 

১৪২৭ সনের অষ্টমীর নির্ঘন্ট

অষ্টমী তিথি আরম্ভ:

বাংলা তারিখ– ৬ কার্তিক, ১৪২৭, শুক্রবার
ইংরেজি তারিখ – ২৩/১০/২০২০
সময় – বেলা ১২ টা ৪ মিনিট ২০ সেকেন্ডে অষ্টমী পড়বে।

অষ্টমী তিথি শেষ:

বাংলা তারিখ – ৭ই কার্তিক, ১৪২৭, শনিবার
ইংরেজি তারিখ – ২৪/১০/২০২০
সময় – সকাল ১১টা ২২ মিনিট ৪১ সেকেন্ড পর্যন্ত অষ্টমী থাকবে।

সূর্যোদয়- ঘ ৫।৪২, সূর্য্যাস্ত ঘ ৫।২, পূর্বাহ্ন ঘ ৯।২৮

পুর্বাহ্নের মধ্যে শ্রীশ্রী শারদীয়া দুর্গাদেবীর অষ্টম্যাদিকল্পারাম্ভ ও কেবল মহাষ্টমীকল্পারাম্ভ এবং মহাষ্টমীবিহিত পূজা প্রশস্তা। পুর্বাহ্নের মধ্যে বীরাষ্টমী ও মহাষ্টমীর ব্রতোপবাস।

সন্ধিপূজারম্ভ:

সময় – সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট ৪১ সেকেন্ডে সন্ধিপুজো শুরু হবে।

বলিদান:

সময় – সকাল ১১টা ২২ মিনিট ২৯ সেকেন্ড থেকে।

সন্ধি পূজা সমাপন:

সময় – শেষ হবে সকাল ১১টা ৪৬ মিনিট ৪১ সেকেন্ডে।

বেণী মাধব শীল

অষ্টমী তিথি আরম্ভ:

বাংলা তারিখ – ৬কার্তিক, ১৪২৭, শুক্রবার।

ইংরেজি তারিখ – ২৩/১০/২০২০

সময় – সকাল ৬টা ৫৮ মিনিট থেকে।

অষ্টমী তিথি শেষ:

বাংলা তারিখ – ৭কার্তিক, ১৪২৭, শনিবার।

ইংরেজি তারিখ – ২৪/১০/২০২০

সময় – সকাল ৬টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

সন্ধিপূজা:

সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটের পর সন্ধি পূজা আরম্ভ।

সকাল ৬টা ৫৯ মিনিটের পর বলিদান।

সকাল ৭টা ২৩ মিনিটের মধ্যে সন্ধিপূজা শেষ।

সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটের মধ্যে শ্রীশ্রী শারদীয়া দুর্গাদেবীর মহাষ্টমী বিহিত পূজা, মহাষ্টমাদি কল্পারম্ভ (পঞ্চমকল্প) এবং কেবল মহাষ্টমী কল্পারম্ভ প্রশস্তা (ষষ্ঠকল্প) ।বীরাষ্টমী এবং মহাষ্টমীর ব্রতোপবাস।শ্রীশ্রীকালিকাদেব্যাবিভাব।শ্রীশ্রীমহিষমর্দিনীদেব্যাবিভাব।মহারাত্রি নিমিত্তানুষ্ঠান।কুমারীপূজা।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.