HeaderDesktopLD
HeaderMobile

বিন্ধ্যপর্বতে বিরাজ করেন নন্দের নন্দিনী যোগমায়া, মা বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গা রূপে

0

রূপাঞ্জন গোস্বামী

প্রাচীনকালে বঙ্গের রাজা ছিলেন সুরথ। তাঁর রাজধানী ছিল বলিপুরা (বোলপুর)। তিনি ছিলেন দেবী দুর্গার ভক্ত। দেবীমাহাত্ম্যম্ থেকে জানা যায়, মেধা নামের এক ঋষি, রাজা সুরথ ও বণিক সমাধিকে শুনিয়েছিলেন দেবী দুর্গার এক উপাখ্যান। শুম্ভ-নিশুম্ভকে বধ করার পর দেবী দুর্গা দেবতাদের বলেছিলেন, দ্বাপর যুগে শুম্ভ নিশুম্ভের পুনর্জন্ম হবে। তাদের হাত থেকে মর্ত্যকে রক্ষা করার জন্য, গোকুলের অধীশ্বর নন্দের কন্যারূপে আমি আবার জন্ম নেব।

শুরু হয়েছিল দ্বাপর যুগ

মথুরার রাজা উগ্রসেনের স্ত্রী পদ্মাবতী ও রাক্ষসরাজ দ্রুমিলের অবৈধ সংসর্গে জন্ম নিয়েছিলেন কংস। রাক্ষসপুত্র হওয়ায় কংসের আচার আচরণ ছিল রাক্ষসদের মতো। দুর্বিনীত কংসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল মথুরার মানুষ। যৌবনে মগধের রাজা জরাসন্ধের সহায়তায়, নিজের পিতা উগ্রসেনকে সিংহাসনচ্যুত করে কংস হয়েছিলেন মথুরানরেশ। বিবাহ করেছিলেন জরাসন্ধের দুই কন্যা প্রাপ্তি ও অস্তিকে।

কংসের জেঠতুতো বোন ছিলেন দেবকী। কংস তাঁর সঙ্গে বিবাহ দিয়েছিলেন মল্লদেশের রাজপুত্র বসুদেবের, বসুদেবের স্ত্রী রোহিণী থাকা সত্ত্বেও। কারণ মল্লদেশ দখল করার সুপ্ত বাসনা ছিল কংসের মনে। তিনি চেয়েছিলেন, বোন দেবকীর পুত্রকে মল্লদেশের সিংহাসনে দেখতে। পথের কাঁটা ছিলেন বসুদেবের প্রথমা স্ত্রী রোহিণী। কংস তাঁকে সহ্য করতে পারতেন না। কংস কতটা নিষ্ঠুর হতে পারেন, তা জানতেন বসুদেব। তাই তিনি দেবকীকে বিবাহ করার আগেই, প্রথমা স্ত্রী রোহিণীকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন খুড়তুতো ভাই ও গোকুলের গোপালক জাতির প্রধান নন্দ গোপের কাছে।

দৈববাণী শুনেছিলেন কংস

বসুদেবের সঙ্গে দেবকীর বিবাহ দেওয়ার পর রাজা কংস, বোন দেবকী ও বসুদেবকে নিয়ে নিজের সুবর্ণ রথে চড়ে চলেছিলেন মল্লদেশের দিকে। হঠাৎই কংসের কানে ভেসে এসেছিল এক দৈববাণী, “মূঢ় কংস, তোমার পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তানই তোমাকে বধ করবে। প্রস্তুত হও নির্বোধ।” আতঙ্কিত কংস সেই মুহূর্তেই হাতে তুলে নিয়েছিলেন তরবারি, বোন দেবকীকে হত্যা করার জন্য। কারণ দেবকীর মৃত্যু হলে দেবকী ও বসুদেবের সন্তান হওয়ার সম্ভাবনাই বিলীন হয়ে যাবে।
দেবকীকে হত্যা করতে উদ্যত কংসকে নিবৃত করেছিলেন বসুদেব। দেবকীর গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তানদের কংসের হাতে তুলে দেওয়ার শপথ নিয়েছিলেন। বসুদেবের কথায় বিশ্বাস করেননি কংস। ঘুরিয়ে নিয়েছিলেন রথ। মল্লদেশে না গিয়ে রথ চলেছিল মথুরার দিকে। মথুরায় গিয়ে, বসুদেব ও দেবকীকে কারাগারে নিক্ষেপ করেছিলেন কংস।

বোন দেবকীকে হত্যা করার জন্য কংস তুলে নিয়েছিলেন তরবারি

কারাগারের ভেতরেই জন্ম নিয়েছিল দেবকী ও বসুদেবের ছয় পুত্র সন্তান। নির্মমভাবে মাটিতে আছাড় মেরে ছ’টি শিশুকেই হত্যা করেছিলেন তাদের মামা কংস। এরপর দেবকীর গর্ভে এসেছিল সপ্তম সন্তান। পুত্র সন্তানটিকে শ্রীবিষ্ণুর নির্দেশে আদ্যাশক্তি যোগমায়া বসুদেবের প্রথম স্ত্রী রোহিণীর গর্ভে প্রতিস্থাপিত করেন। রোহিণীর গর্ভ থেকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মহাবীর বলরাম।

দেবকীর গর্ভে এসেছিল অষ্টম সন্তান

অষ্টম গর্ভের সন্তানটিকে রক্ষা করার জন্য দেবকী ও বাসুদেব বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রতিপালক শ্রীবিষ্ণুর আরাধনা শুরু করেছিলেন। মথুরার অন্ধকার কারাগারে দেবকী ও বসুদেবকে দেখা দিয়েছিলেন শ্রীবিষ্ণু। গোলকপতি বলেছিলেন, “ভাদ্র মাসের অষ্টমী তিথিতে ভূমিষ্ঠ হবে তোমাদের পুত্র সন্তান। একই দিনে একই সময়ে গোকুলে নন্দের স্ত্রী যশোদার কন্যারূপে জন্ম নেবেন দেবী যোগমায়া। আমার মায়ায় সেই মুহূর্তে কারাগারের প্রহরীরা গভীর নিদ্রায় অচেতন থাকবে। সদ্যজাত পুত্রটিকে নিয়ে বসুদেব চলে যাবে নন্দের বাড়ি। আঁতুড়ঘরে ঢুকে, সদ্যজাত কন্যার জায়গায় সদ্যজাত পুত্রটিকে শুইয়ে রেখে, কন্যাটিকে নিয়ে ফিরে আসবে কারাগারে।”ভাদ্র মাসের অষ্টমী তিথির শুভ মুহূর্তে, কংসের কারাগারে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তান শ্রীকৃষ্ণ। যশোদার গর্ভে জন্ম নেওয়া যোগমায়ার জায়গায় শ্রীকৃষ্ণকে রেখে, নন্দের নন্দিনীকে বসুদেব নিয়ে এসেছিলেন কংসের কারাগারে। দেবকীর সন্তান হওয়ার খবর কারাগারের প্রহরীরা দিয়েছিল কংসকে। উন্মত্তের মতো কারাকক্ষে ছুটে এসেছিলেন কংস।কারাকক্ষে ঢুকে শিশুকন্যাটিকে হাতে নিয়ে আছাড় মারতে যাওয়ার মুহূর্তে, কংসের হাত পিছলে শূন্যে উড়ে গিয়েছিল শিশুকন্যাটি। হেসে উঠেছিল খিলখিল করে। স্তম্ভিত কংস দেখেছিলেন, অন্ধকার সরিয়ে শিশুকন্যার জায়গায় বিরাজ করছেন স্বয়ং দেবী দুর্গা। হুংকার দিয়ে দেবী দুর্গা বলেছিলেন, “তোমাকে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে।” এরপর দেবী দুর্গা বিলীন হয়ে গিয়েছিলেন শূন্যে।কংসকে বধ করার জন্য গোকুলে পালক পিতামাতা নন্দ ও যশোদার ঘরে বেড়ে উঠতে লাগলেন রাখাল রাজা।

যোগমায়া চলে এসেছিলেন বিন্ধ্যপর্বতে

কংসের কারাগার থেকে নন্দের নন্দিনী যোগমায়া চলে এসেছিলেন বিন্ধ্যপর্বতে। বধ করেছিলেন পুনর্জন্ম নেওয়া দুই অসুর শুম্ভ ও নিশুম্ভকে। অসুরদ্বয়কে বধ করার পর রক্তে ভেজা অসিটিকে দেবী ফেলেছিলেন কাশীতে। অসির আঘাতে সৃষ্টি হয়েছিল একটি নদী। সেই নদীটির নামও অসি। তীর্থনগরী কাশীতে আজও বয়ে চলেছে অসি নদী। নদীটি যে স্থানে গঙ্গায় মিশেছে, সেই স্থানটিকে বলা হয় অসিঘাট। বরুণা নদীর সঙ্গে এই অসি নদীর নাম মিলিয়েই কাশীর নাম হয়েছে বারাণসী।

পবিত্র অসিঘাট

বারাণসী থেকে সত্তর কিলোমিটার দূরে আছে বিন্ধ্য পর্বতমালার অনুচ্চ পাহাড় দিয়ে ঘেরা তীর্থস্থান বিন্ধ্যাচল। সেই বিন্ধ্যাচলেরই একটি পাহাড়চুড়োয় নন্দের নন্দিনী মা যোগমায়া বিরাজ করেন দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গা রূপে।  বিন্ধ্য পর্বত দেবীর নিবাস বলে, দেবীর নাম হয়েছে মা বিন্ধ্যবাসিনী। দেবীমাহাত্ম্যম্, বামন পুরাণ, মার্কণ্ডেয় পুরাণ, মৎস পুরাণ, দেবী ভাগবত, হরিবংশ পুরাণ, স্কন্দ পুরাণ, মহাভারত, রাজতরঙ্গিনী, কাদম্বরী ও অনেক তন্ত্রশাস্ত্রে শুম্ভ-নিশুম্ভমর্দিনী দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গার উল্লেখ আছে।দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গার মন্দিরটির অনতিদূরে বয়ে চলেছে পুণ্যসলিলা গঙ্গা। হাজার বছর আগে থেকেই এই মন্দিরটিকে জাগ্রত শক্তিপীঠ বলে মনে করেন তন্ত্রসাধকেরা। যদিও শিবপুরাণ, জ্ঞানার্ণবতন্ত্র, দেবী ভাগবত, কালিকা পুরাণ, কুব্জিকাতন্ত্র, আদি শঙ্কর লিখিত শক্তিপীঠগুলির তালিকায় নাম নেই এই পীঠের। তবে শ্রীমৎ দেবী ভাগবতে ১০৮ টি পবিত্র শক্তিমন্দিরের মধ্যে এই মন্দিরটির কথাও বর্ণিত হয়েছে। কোনও কোনও শাস্ত্রে মন্দিরটিকে সিদ্ধপীঠ ও মণিদ্বীপ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। শাক্তসাধকেরা দেবী বিন্ধ্যবাসিনীকে বলেন ‘বীজাসনা দেবী’।

বিন্ধ্যাচলের মতো পবিত্র স্থান পৃথিবীতে নেই

পুরাণ অনুসারে এই স্থানেই সুদর্শন চক্র লাভ করেছিলেন শ্রীবিষ্ণু। এই স্থানেই দেবাদিদেব মহাদেবকে স্বামীরূপে পাওয়ার জন্য তপস্যা করেছিলেন দেবী পার্বতী। পতিতপাবনী গঙ্গায় শারদ তর্পণ করেছিলেন ভগবান শ্রীরামচন্দ্র। সেই ঘাটেরই নাম আজ রামগঙ্গা ঘাট। বিন্ধ্যাচলে শ্রীরামচন্দ্র স্থাপন করেছিলেন রামেশ্বর শিবলিঙ্গ। খনন করেছিলেন পবিত্র রামকুণ্ড।
‘নীলতন্ত্রম’ অনুসারে দেবী বিন্ধ্যবাসিনী মন্দিরেই বিরাজ করেন দেবী দুর্গা। তাই ভক্তদের মতে বিন্ধ্যাচলের মতো পবিত্র স্থান পৃথিবীতে নেই। মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপিত রূপার সিংহাসনে আসীন দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গা। গাত্রবর্ণ ঘন তমসার মতো। দেবীর কপাল জুড়ে রক্তলাল সিঁদুরের প্রলেপ। সোনার পাত দিয়ে তৈরি দেবীর টানা টানা দুটি চোখ। দেবীর মাথায় সোনার মুকুট। গলায় অসংখ্য হার। সেগুলির মাঝে শোভা পায় সোনা দিয়ে তৈরি মুণ্ডমালা। প্রথম দর্শনেই সম্মোহিত হয়ে যান দর্শনার্থীরা।

দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গা

কে নির্মাণ করেছিলেন দেবীর বিগ্রহটি?

বিন্ধ্যবাসিনীর বিগ্রহটির আবির্ভাব নিয়ে মতান্তর আছে। লোকগাথায় বলা হয়, পৌরাণিক যুগের এক ঋষির কথা। যিনি বিন্ধ্যপর্বতের গভীর অরণ্যে তপস্যা করতে গিয়ে কুড়িয়ে পেয়েছিলেন কষ্টিপাথরে নির্মিত দেবীর বিগ্রহটিকে। সেই ঋষিই পাহাড়চূড়ায় নির্মাণ করেছিলেন দেবীর মন্দির এবং মন্দিরের বেদীতে স্থাপন করেছিলেন দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গার বিগ্রহটিকে।
অন্যদিকে সাধকেরা বলেন দেবী মূর্তিটি নির্মাণ করেছিলেন ব্রহ্মা-পুত্র ও মানবজাতির স্রষ্টা মনু। তিনি কয়েকশো বছর ধরে পাথর কেটে নিজের হাতে বানিয়েছিলেন দেবী বিন্ধ্যবাসিনীর বিগ্রহটি। মনুর ধৈর্য, ত্যাগ ও তিতিক্ষা দেখে প্রসন্ন হয়েছিলেন দেবী দুর্গা। ধর্মরাজও দেবী দুর্গাকে বলেছিলেন মর্ত্যে তাঁর পক্ষে বাস করার আদর্শ স্থান বিন্ধ্যাচল। এরপর দেবী দুর্গা প্রবেশ করেছিলেন মনুনির্মিত বিগ্রহটিতে। চিরকালের জন্য দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গা থেকে গিয়েছিলেন মনু নির্মিত মন্দিরে। শাক্ত সাধকেরা বলেন, মর্ত্যে দেবী দুর্গার মন্দির হাজার হাজার, কিন্তু বাসগৃহ একটাই। সেটি হল এই বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির।

বরপ্রদায়িনী বিন্ধ্যবাসিনী

পুরাণ অনুসারে দেবী বিন্ধ্যবাসিনী, আশুতোষ মহাদেবের মতই দ্রুত বর প্রদান করেন। ভক্তের কষ্ট দেখে মহাদেবের মতোই দুঃখ পান। রাতের অন্ধকারে পাহাড় চূড়া থেকে নেমে, ভক্তদের বাড়ি বাড়ি যান দেবী বিন্ধ্যবাসিনী। দূর করেন ভক্তদের সকল দুঃখ দুর্দশা। গৃহী ভক্তদের মতোই, দেবীর মন্দিরে দেবীর আরাধনা করতে আসেন তান্ত্রিক সাধকেরাও। সিদ্ধিলাভের জন্য ধ্যান জপ করেন বছরভর। চৈত্র ও আশ্বিনের নবরাত্রির সময় মন্দির প্রাঙ্গণে সমবেত হন কয়েক লক্ষ ভক্ত। দীপাবলিতে দেবী কালিকারূপেও পূজিতা হন দেবী বিন্ধ্যবাসিনী। তখনও মন্দিরে কয়েক লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। উচ্চারিত হয় দেবী বিন্ধ্যবাসিনীর স্তব,

নিশুম্ভ-শুম্ভ-গর্জনী,
প্রচণ্ড-মুণ্ড-খণ্ডিনীম্।
বনে রণে প্রকাশিনীং
ভজামি বিন্ধ্যবাসিনীম্।।

ত্রিশূল মুণ্ড ধারিণী
ধরা বিধাত হারিণীম্।
গৃহে গৃহে নিবাসিনী
ভজামি বিন্ধ্যবাসিনীম্।।

দরিদ্র দুঃখ হারিণী
সদা বিভূতি কারিণীম্।
বিয়োগ শোক হারিণী
ভজামি বিন্ধ্যবাসিনীম্।।

লসৎসুলোল লোচনম
লতাসনম্ বরপ্রদম্।
কপাল শূল ধারিণী
ভজামি বিন্ধ্যবাসিনীম্।।

দেবী বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গার মন্দির থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে, ঘন অরণ্যের মধ্যে থাকা একটি পাহাড়ের গুহায় বিরাজ করছেন জাগ্রত মহাকালী। গুহাটির নাম কালীকোখ মন্দির।

কালিকোখ মন্দিরের মা মহাকালী

বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে আছে দেবী অষ্টভুজা মন্দির। এই মন্দিরে বিরাজ করেন মা মহা সরস্বতী। গৃহী ও সাধক ভক্তরা বিশ্বাস করেন, দেবী বিন্ধ্যবাসিনী, মা মহাকালী ও মা মহা সরস্বতীর মন্দির পরিক্রমা করলেই ত্রিলোকে পরিক্রমার পুণ্য অর্জন করা যায়। এই যাত্রাকে বলা হয় ‘ত্রিকোণ পরিক্রমা’। তীর্থযাত্রীরা পবিত্র কর্ণগিরি কুণ্ডে স্নান করে একই যাত্রায় তিনটি মন্দির দর্শন করেন। তারপর, দেবীর প্রতি অটুট বিশ্বাস হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত করে, গৃহে ফিরে যান দেবী বিন্ধ্যবাসিনীর জয়গান গাইতে গাইতে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.