HeaderDesktopLD
HeaderMobile

পুজোর ভিড় পেরিয়ে ছুঁয়ে আসুন অরণ্যের দিনরাত্রি, কর্ণগড় আপনারই অপেক্ষায়

0 162

রত্না ভট্টাচার্য্য
শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য

নাম শুনলে প্রথমেই মনে হতে পারে মহাভারতের বীর কর্ণ বুঝি এই গড় বা দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু হতাশাব্যঞ্জক হলেও এটাই সত্যি যে, মহাভারতের কোনও চরিত্রের সঙ্গেই এই কর্ণগড়ের কোনও সম্পর্ক নেই। গড়টি যদিও বহু পুরোনো, এবং বর্তমানে তার ভগ্নাবশেষটুকুই অবশিষ্ট রয়েছে, বাকি সবই হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে। তবু ইতিহাস আর প্রকৃতি যেন এখনও হাতে হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণগড়ের মাটিতে, যেখানে কান পাতলে শোনা যায় এই বাংলারই অত অজানা, অশ্রুতপূর্ব গৌরবগাথা। তাই আপনি যদি ইতিহাস ভালোবাসেন, আর ছুটির সকালে কলকাতার ধুলো ধোঁয়া থেকে একবেলা পালাতে চান নিরুদ্দেশে, তাহলে আপনার সেই হারিয়ে যাওয়ার সেরা ঠিকানা হতেই পারে কর্ণগড়।

মেদিনীপুর শহর থেকে গড়বেতার রাস্তায় ৫ কিলোমিটার উত্তরে এলে ভাদুতলা। ভাদুতলা থেকে ৫ কিলোমিটার মোরাম রাস্তায় এগিয়ে গেলেই ‘কর্ণগড়’। গড়টি একসময় প্রায় তিন কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বর্তমানে ওই তিন কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে টুকরো টুকরো ভাঙা প্রাচীর, ভেঙে পড়া রাজবাড়ি, সেনানিবাস, মজে আসা বিশাল দিঘি।

তাহলে কীসের আকর্ষণে কর্ণগড়ে যাবেন পর্যটকরা? কী-ই বা দেখবেন? আছে মশাই,আছে… কর্ণগড়ে এখনও যা আছে, তাতে পর্যটকরা অভিভূত হতে বাধ্য।

প্রাচীন এই গড়ের দক্ষিণাংশে রয়েছে অনাদিলিঙ্গ ‘দণ্ডেশ্বর’ মহাদেব মন্দির ও তার পাশেই ভগবতী মহামায়া মন্দির। মন্দিরে অবশ্য অনেকের উৎসাহ নাও থাকতে পারে। কিন্তু এখানকার ল্যান্ডস্কেপ এককথায় অসাধারণ। একদিকে দিগন্তবিস্তৃত ধানজমি, অন্যদিকে শাল, পিয়াল আর বাবলার জঙ্গল। আশেপাশে বহুদূর পর্যন্ত লোকবসতি নেই। যেদিকে চোখ যায় ধূ ধূ ফাঁকা। মন্দিরের পিছনে দীর্ঘ প্রান্তর যেন মিশে গেছে দিকচক্রবালে।

মোরাম বিছানো পথ ধরে এগোলে প্রথমেই চোখে পড়বে এক সুদৃশ্য রঙিন তোরণদ্বার। কর্ণগড়ে ঢোকার মুখে এই তোরণদ্বারটি সম্প্রতি নির্মাণ করা হয়েছে। তোরণদ্বারের কিছুটা দূরেই কর্ণগড়ের অধিদেবতা অনাদিলিঙ্গ ভগবান দণ্ডেশ্বর ও অধিষ্ঠাত্রীদেবী মা মহামায়া মন্দির। মন্দির দুটিই প্রায় আট ফুট উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। প্রাচীন হলেও মন্দিরগুলি এখনও অক্ষত এবং সুদৃশ্য। এই দুটি মন্দিরই বর্তমানে ভ্রমণার্থীদের কাছে মুখ্য আকর্ষণ।

মন্দিরে ঢোকার আগে প্রথমেই জানা দরকার কে বা কারা ছিলেন এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।যদিও সে বিষয়ে বেশ মতানৈক্য রয়েছে ঐতিহাসিকদের মধ্যে। কেউ বলেন কেশরীবংশীয় রাজা কর্ণকেশরীই ছিলেন এই রাজবংশের প্রথম পুরুষ। আবার কেউ বলেন এই বংশ প্রতিষ্ঠা পায় রাজা মহাবীর সিংহের হাত ধরে। এই বংশের উল্লেখযোগ্য রাজা ছিলেন যশোবন্ত সিংহ। শৌর্য আর প্রজাবাৎসল্যের কারণে তাঁর নাম-যশ প্রচারিত আর প্রসারিত হয়েছিল বহুদূর। কিন্তু যাঁর মহত্ব, কীর্তি আর জয়গাথার গুণে কর্ণগড় ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে, তিনি হলেন মেদিনীপুরের ‘লক্ষ্মীবাঈ’ রানি শিরোমণি। রাজা অজিত সিংহের মৃত্যুর পর (১৭৬০) রানি শিরোমণি নিজের হাতে এই রাজসিংহাসনের দায়িত্বভার তুলে নেন। মৃত্যুর আগে ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর রীতিমতো দাপটের সঙ্গে রাজ্যশাসন করেছেন তিনি। একদিকে প্রজাপালন এবং অন্যদিকে ব্রিটিশদমন – দুই ভূমিকাতেই রানি শিরোমণির খ্যাতি আর বীরত্বের গল্প ছড়িয়ে পড়েছিল মুখে মুখে।

ইংরেজ আমলে কর্ণগড় ছিল বিদ্রোহের পীঠস্থান। ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে জঙ্গলমহলের চাষি প্রজারা ইংরেজ শোষণের বিরুদ্ধে প্রথম যে বিদ্রোহ করেন, বিদেশি প্রভুরা তার নাম দিয়েছিলেন ‘চুয়াড় বিদ্রোহ’। চুয়াড় শব্দের অর্থ হল গোঁয়ার বা অসভ্য। নিজ স্বাধীনতা রক্ষার জন্য শোষিত নিপীড়িত চাষি প্রজাদের এই বিদ্রোহকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্ণগড়ের রানি শিরোমণি।

বালিজুড়ি, তসরআড়ার জঙ্গলে বাঙালি চাষাদের নিরীহ তির-ধনুকের বিরুদ্ধে সাহেবদের তোপ,কামান, আগ্নেয়াস্ত্রের লড়াই চলে প্রায় এক বছর। অবশেষে ১৭৯৯ সালের এপ্রিল মাসে রানির অনুচরদের বিশ্বাসঘাতকতায় ধস নামে চুয়াড় বিদ্রোহে। রানি স্বয়ং আত্মাহুতি দিয়ে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করেন আর দলবদ্ধ চুয়াড়েরা টুকরো টুকরো হয়ে যায় ইংরেজদের গোলাবারুদের সামনে।

ইতিহাসের কথা তো অনেক হল, এবার ফেরা যাক বেড়ানোর গল্পে। মন্দিরগুলির পূর্ব দিকের প্রবেশদ্বারই ছিল একসময় মুখ্য প্রবেশপথ। কিন্তু বর্তমানে পশ্চিমের তোরণটিই মূল প্রবেশদ্বার। এই তোরণের উচ্চতা প্রায় ৭৫ ফুট। সাধারণ মানুষজন তোরণটিকে ডাকেন হাওয়াখানা বা হাওয়ামহল বলে।

তোরণদ্বারটি সুন্দর মন্দিরের আদলে নির্মিত। এর উত্তর ও দক্ষিণ দিকে সরু সিঁড়ি, যা বেয়ে ওপরে ওঠা যায়। এই তোরণদ্বারটিকে আবার ‘যোগী খোলা’ বা যোগমণ্ডপ বলা হয়। মহামায়ার মন্দিরে যে সব সাধক শক্তিসাধনার জন্য আসেন তাঁরা প্রথমে এই যোগমণ্ডপের ত্রিতলে বসে হোম-যজ্ঞ ও ইষ্টসাধনা করে থাকেন।

তোরণদ্বার দিয়ে ঢুকেই সামনেই বিশাল চত্বর, কেয়ারি করা সুন্দর ফুলগাছে ছাওয়া। চত্বর পেরোলে উৎকল রীতিতে নির্মিত দণ্ডেশ্বর মন্দির। মন্দিরের মধ্যে কিন্তু কোনও শিবলিঙ্গ নেই, রয়েছে এক গভীর গর্ত। এই গর্ত ‘যোনিপীঠ’ নামে খ্যাত। জগমোহনের ভেতরে বাঁ দিকে রয়েছে কালো পাথরের লিঙ্গ মূর্তি। এঁর নাম ‘খড়্গেশ্বর মহাদেব’। মন্দিরের দক্ষিণে লাগোয়া মন্দিরটিই হল মহামায়া মন্দির। দেবী মহামায়ার মূর্তিটি অপূর্ব সুন্দর, চোখ ফেরানো যায় না। ইনিই রাজপরিবারের আরাধ্যা কুলদেবী। মন্দিরের ভেতর রয়েছে প্রসিদ্ধ এক পঞ্চমুণ্ডীর আসন। জনশ্রুতি বলে, কর্ণগড়ের অন্যতম বিখ্যাত রাজা যশোবন্ত সিংহ এবং ‘শিবায়ণ’ কাব্যের রচনাকার শ্রী রামেশ্বর ভট্টাচার্য না কি এই পঞ্চমুণ্ডীর আসনে বসে সাধনা করেই একদা সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। দণ্ডেশ্বর শিব মন্দিরের পিছন দিকে মাকড়া পাথর নির্মিত একটি প্রাচীন বেদির ওপর গত ২৯শে পৌষ ১৩৬৯ বঙ্গাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ মেদিনীপুর শাখা কর্তৃক কবি রামেশ্বরের একটি স্মৃতিস্তম্ভও স্থাপিত হয়েছে।

মহামায়া মন্দিরের পিছনে রয়েছে পবিত্র দুধকুণ্ড। এটি আদতে একটি কুয়ো। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এই কুয়োর জলের রঙ দুধের মত সাদা। রয়েছে কল্পতরু বেদিও। একাধিক মন্দির রয়েছে এই চত্বরে। ঘুরে ঘুরে দেখে নেওয়া যায় যোগমায়া মন্দির, হনুমান মন্দির এবং রঘুবাবার মন্দিরটিও।

এই রঘুবাবা সম্বন্ধে দু-চার কথা না বললে অবশ্য বর্ণনা সম্পূর্ণ হবে না। এই রঘুবাবাই সুদীর্ঘকাল ধরে মূল মন্দির দুটিকে রক্ষণাবেক্ষণ করেছিলেন, আর সেইজন্যই মন্দিরদুটি আজও অক্ষত আছে। মন্দিরগুলির দক্ষিণে রয়েছে টলটলে জলের একটি পুকুর।

নিয়মিত সংস্কার করা হয় এই মন্দিরগুলির। প্রাত্যাহিক যত্নে আর ধারাবাহিক সংস্কারের ফলে মন্দিরগুলোর প্রাচীনত্ব টেরই পাওয়া যায় না। দুটি মন্দিরই প্রায় ২০ জন কর্মচারীর যত্নে যথেষ্ট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।

কর্ণগড় ঘুরে দেখতে মোটামুটি একবেলা বা ঘণ্টাখানেক সময়ই যথেষ্ট। তবে এরকম দিগন্তপ্রসারী চরাচরে, প্রকৃতির বুকের মধ্যে কারও যদি দু’একটা দিন থাকার ইচ্ছা হয়, সে ইচ্ছা পূরণ হওয়াও বর্তমানে মোটেই অসম্ভব নয়। মন্দির কমপ্লেক্সের খুব কাছেই গড়ে উঠেছে প্রাইভেট পর্যটন আবাস। আর পৌষ মাসের শেষের দিকে যদি ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। কারণ প্রত্যেক বছর পৌষ সংক্রান্তিতে এই অঞ্চলে দারুণ জমকালো মেলা বসে।

কর্ণগড় থেকে খুব কাছেই আড়াবাড়ির জঙ্গল। আড়াবাড়ি আজ আর কেবলমাত্র জঙ্গল নয়, একখণ্ড ইতিহাসে পরিণত হয়েছে সেও। পরিবেশ সংক্রান্ত কাজকর্মের জন্য আড়াবাড়ি অরণ্যের প্রসিদ্ধি ছড়িয়েছে বহুদূর। কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতবর্ষেই নয়, সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেই যথেষ্ট আলোচিত নাম আড়াবাড়ি। বন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও অন্যান্য কাজকর্মে অনন্য নজির সৃষ্টি করায় ‘ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী’ পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে এই সংরক্ষিত অরণ্য অঞ্চল। এছাড়াও পৃথিবী বিখ্যাত আন্তর্জাতিক পুরস্কার ‘পলগেটি’ তার মুকুটে নতুন পালক সংযোজন করেছে। পলগেটি হল পরিবেশ সংক্রান্ত কাজের দুনিয়ায় নোবেল পুরস্কারের সমতুল এবং তার অর্থমূল্যও যথেষ্ট।

সরকারি নথি বলছে, ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে মেদিনীপুরের ৫০ শতাংশের বেশি বন পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত না হলেও প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। যে সমস্ত জায়গায় শালের বড় জঙ্গল ছিল, ওই ৩০ বছরে তা শালের ছোট ছোট ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়েছিল। ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৭২ সালের মধ্যে বনবিভাগের অনুরোধে ১১টি গ্রাম প্রায় ১২৫৬ হেক্টর বনাঞ্চলের রক্ষণাবেক্ষণের ভার নিতে রাজি হয়। গ্রামবাসীদের সঙ্গে একটি মৌখিক চুক্তি হয় যে, তারা যেমন বনকে রক্ষা করবে, তেমন তাদের প্রয়োজন মত জ্বালানি কাঠ, গোরুর খাদ্যসামগ্রী, ঘাস প্রভৃতি জোগাড় করা বা গরু চরানো, বনের অন্যান্য জিনিস, যেমন পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদি নিতে পারবে। ওই ধ্বংসপ্রাপ্ত বন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে, বনের ১/৪ অংশ গ্রামবাসীরা তাদের ভাগ হিসাবে পাবেন। অর্থাৎ এই বনের গাছ যখন কাটা হবে তখন সেই গাছ বিক্রি করে যা পাওয়া যাবে তার শতকরা ২৫ ভাগ দেওয়া হবে এই ১১টি গ্রামের ৬৫০টি পরিবারকে।

আশ্চর্যের সঙ্গে দেখা গেল, গ্রামবাসীরা তাদের কথা রাখলেন অক্ষরে অক্ষরে। প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি ও অন্যান্য সামগ্রী নিলেন বটে, কিন্তু ধ্বংস হয়ে যাওয়া অরণ্যও গ্রামবাসীদের যত্নে আবার সবুজে সবুজ হয়ে উঠল। এই সবুজায়নের পিছনে বনবিভাগের যে দুজন অধিকর্তার প্রচেষ্টা ছিল তাঁরা হলেন অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রদীপ বসু। আজ সমস্ত দক্ষিণ এশিয়ায় আড়াবাড়ি অরণ্য এক মডেল ফরেস্টে পরিণত হতে পেরেছে। এই দুজনের উৎসাহ আর দক্ষতা ছাড়া তা সম্ভব হত না। বছর ত্রিশ আগের রুক্ষ ঊষর ভূমি আজ ভরে গেছে নানা প্রজাতির বাঁশ, শিশু, শাল, কুসুম, সেগুন, ছাতিম, অমলতাসে।

এছাড়া আড়াবাড়ির একটি উল্লেখযোগ্য গাছ হল শ্বেতচন্দন। বনদফতরের অফিসে ঢোকার মুখেই রয়েছে এই চন্দনবৃক্ষ। দাবি করা হয়, এখানকার শ্বেতচন্দন নাকি কর্ণাটকের চন্দন গাছের তুলনায় অনেক উঁচু মানের। কর্ণাটকের শ্বেতচন্দন যদি পূর্ণতা পেতে ৫০ বছর নেয় সেখানে আড়াবাড়ির শ্বেতচন্দন ২০ বছরেই পূর্ণতা পায়। যদিও আড়াবাড়িতে তেমনভাবে শ্বেতচন্দনের চাষ হয় না। ১২৫৬ হেক্টরের আড়াবাড়ির উন্নয়নে আশেপাশের বহু গ্রাম আজ উপকৃত।

ইতিহাস সৃষ্টি করা এমন এক অরণ্য পরিবেশের সাক্ষ্য পেতে চাইলে, একবেলা খাঁটি আরণ্যক জীবনের মধ্যে থাকতে চাইলেও আজ তা অনায়াসে সম্ভব। পাশেই রয়েছে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের ঐরাবত বনবিতান। বুকিং করতে হবে এই ঠিকানায়–
বিভাগীয় বনবিভাগ, ডিএফও, মেদিনীপুর ডিভিশন, দূরভাষ– ০৩২২২-২৭৫৮৬৯।
এছাড়া মেদিনীপুর শহরে থেকেও দিনে দিনে দেখে নেওয়া যায় কর্ণগড় ও আড়াবাড়ির মতো দ্রষ্টব্য এলাকাগুলি। দরকার শুধু আলস্য কাটিয়ে একটাদিন হঠাৎ ছুটির আনন্দে বেড়িয়ে পড়া, পায়ে পায়ে…

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.