HeaderDesktopLD
HeaderMobile

পুজোর ছুটিতে ডাক পাঠাচ্ছে দুবরাজপুরের মামা-ভাগ্নে

0

রত্না ভট্টাচার্য্য
শক্তিপদ ভট্টাচার্য্য

বক্রেশ্বর থেকে দুবরাজপুর (dubrajpur) সড়ক পথের দূরত্ব মাত্র ১৩ কিলোমিটার। অহরহ বাস চলছে। যে কোনও একটি বাসে ইতিহাস, পুরাণ, রামায়ণ-মহাভারতের কিংবদন্তিতে ভরা দুবরাজপুরে পৌঁছনো যায়। দুবরাজপুর যেন নান্দনিক বিকাশের এক সার্থক ছবি। সঙ্গে নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগের এক বিরল অনুভূতি। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের গঞ্জ এখন পুরোপুরি শহর। কথিত আছে, বনবাসকালে পাণ্ডবরা যুধিষ্ঠিরকে এখানেই যুবরাজপদে অভিষিক্ত করেন। ফলে জায়গাটির নাম হয় যুবরাজপুর, কালে কালে তা পরিণত হয়েছে দুবরাজপুরে। বেড়াবার পক্ষে আদর্শ স্থান হিসাবে দুবরাজপুর একাই একশো।

মামা-ভাগ্নে পাহাড়

দুবরাজপুরের প্রধান আকর্ষণ হল একটা পাথরের ওপর আর একটি পাথরের সমন্বয়ে ‘মামা-ভাগ্নে পাহাড়’। পাহাড়ের কাছে বড় বড় গ্রানাইট পাথর বহুদূর পর্যন্ত ছড়ানো। পাহাড় শীর্ষে ওঠার আকাঙ্ক্ষা থাকলে অনায়াসেই অভিযান করে পাহাড়চূড়ায় ওঠা যায়। পাহাড়চূড়ায় রয়ে গেছে দুটি বড় পাথর যারা মামা-ভাগ্নে নামে পরিচিত। এর বিশেষত্ব হল, বড় পাথরটি ছোট পাথরটির ওপরে। এক জায়গায় খানিকটা জল জমা রয়েছে, সাধারণ মানুষের বিশ্বাস যে ওই জল সীতাদেবীর ব্যবহৃত সঞ্চিত জল। আর আছে বাঘুনি গুহা, যদিও গুহা বাঘহীন। পাহাড়ে ওঠার আগে আরাধ্যা বিপুলাকার শ্মশানকালীর মন্দির। দুবরাজপুর পুরসভা পাহাড়ের ওপর একটি পার্ক করেছে পর্যটক আকর্ষণের জন্য। সবুজ প্রান্তরের মধ্যে গাছগাছালিতে ভরা ধূসর পাহাড় নিয়ে দুবরাজপুর অস্থির মনে এক চরম প্রশান্তি এনে দেয়।

দরবেশবাবার আশ্রম : মামা-ভাগনে পাহাড়ের অদূরেই দরবেশবাবার আশ্রম। আউল, বাউল, সাঁই ও দরবেশ নিয়ে বাউল সম্প্রদায়। বর্তমানে যিনি আশ্রমের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি দরবেশবাবার অষ্টম পুরুষ, দুলাল মহান্ত। অত্যন্ত অতিথিবৎসল। তাঁর কাছ থেকে জানা গেছে, দরবেশবাবা অত্যন্ত যোগীপুরুষ ছিলেন। তিনি মামা-ভাগ্নে পাহাড়ে রতিসিদ্ধ হয়েছিলেন। যে মরা মহুয়া গাছটিকে বাঁচিয়েছিলেন সেটি এখনও জীবিত আছে। দুবরাজপুরের একটি মৃত ছেলেকে বাঁচিয়েছিলেন তিনি। ছেলেটির পরিবার এখনও ৫ই মাঘ সাধুসেবা দিয়ে আসছেন। আশ্রমটি কোলাহল থেকে নির্জন জায়গায়, বড় বড় গাছপালায় ছাওয়া, কতগুলি মাটির কুটির নিয়ে একেবারে তপোবন সদৃশ। দরবেশবাবার সমাধির ওপর গড়ে উঠেছে মন্দির। মন্দিরের অভ্যন্তরভাগ আড়ম্বরহীন, নজর কাড়ে বাবার ব্যবহৃত মাটির বন্দনা, সমাধির পাশে সযত্নে রক্ষিত আছে। আশ্রমের চারিদিকেই রয়েছে বিভিন্ন সাধকদের সমাধি। সমাধিগুলি দেখতে উঁচু উঁচু মাটির ঢিবির মতো। মাঘ মাসের ৪ তারিখে বিরাট উৎসব হয় তখন বহু পুণ্যার্থীর সমাবেশ ঘটে আশ্রমে।

আনন্দ কানন : পাহাড়েশ্বর পার্কের উলটো দিকের রাস্তা দিয়ে পৌঁছনো যায় অঘোরীবাবার আশ্রম আনন্দ কাননে। আশ্রমটি বড় বড় গাছপালায় ঘেরা। ভেতরে আনন্দময়ী কালীর মন্দির। পেছনেই শ্মশান।
মুঘল : আনন্দ কাননের বিপরীত রাস্তাটি খুব সুন্দর। এঁকেবেঁকে রাস্তাটি সামনে এগিয়ে গেছে। পথের পাশে সার দিয়ে পুকুর। পরিষ্কার টলটলে জল, প্রত্যেকটির ঘাট বাঁধানো। কোনওটির নাম সূর্য পূজার ঘাট, কোনওটি আবার বাঁধা ঘাট বা সিদ্ধেশ্বরী ঘাট। বীরভূমের মতো রুখাশুখা জায়গায় এরকম পুকুরের সমাহার মনকে প্রশান্ত করে তোলে। খানিকটা এগোলে মাহাতো পাড়া। এই পাড়ায় রয়ে গেছে মোঘল কুঠির ধ্বংসাবশেষ। কুঠির প্রবেশদ্বারের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করলে কয়েকটা সুন্দর টেরাকোটার মন্দির দেখতে পাওয়া যায়, যদিও মন্দিরগুলি একেবারে ধ্বংসের মুখে। দুবরাজপুরে পাড়ায় পাড়ায় শিব মন্দিরের অবস্থান বিস্মিত করে দেয়। যেমন ময়রা পাড়ায় তিনটি টেরাকোটার মন্দির, বাজারের কাছে টেরাকোটায় সমৃদ্ধ ১৩ চুড়োর শিব মন্দির, নমো পাড়ায় রয়েছে পাঁচটি শিব মন্দির।

নীল নির্জন

দুবরাজপুরের উপকণ্ঠে সিউড়ির সড়কপথে মুথাবেড়িয়ার পশ্চিমবাংলার আঁধার দূরীকরণের মাধ্যম বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জলাধার হল নীল নির্জন। ওই জলাশয়ের শেষ দেখা যায় না। নীল আকাশের প্রতিবিম্বে জল কখনও নীল, কখনও ধূসর। পরিযায়ী পাখিদের নতুন আস্তানা এখন নীল নির্জন। চারিদিকের পরিবেশ এক কথায় দুর্দান্ত। একটি মনোরম পর্যটন কেন্দ্র গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

আলম শাহ-র মাজার : নীল নির্জনের পথে পড়ে বিখ্যাত আলম শাহ-র মাজার। রেললাইনের ধারে একেবারে নির্জন জায়গায় মাজারটি অবস্থিত।
দুবরাজপুর ঘুরতে গিয়ে অবশ্যই দেখে নেওয়া উচিত হবে দুবরাজপুর রামকৃষ্ণ আশ্রম এবং দুবরাজপুর থেকে খানিকটা দূরে পণ্ডিতপুরে স্বামী শাক্তানন্দ প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ আশ্রম। সত্যজিৎ, মৃণাল, উৎপলেন্দু, অরবিন্দের জীবনের চলচ্ছবি রূপায়ণের পটভূমি দুবরাজপুর অবকাশযাপনের পক্ষে আদর্শ ও অনন্য। পুর অতিথিনিবাস আর ‘সানাই’ হাত বাড়িয়ে প্রস্তুত উষ্ণ আতিথেয়তা ও নিশ্চিত নিরাপদ আশ্রয় দিতে।

দুবরাজপুরে রাত্রিবাসের ঠিকানা : পুর অতিথিনিবাস ও সানাই–- যোগাযোগ– দুবরাজপুর পুরসভা, দূরভাষ : ০৩৪৬২-২৪৪৩৬২ (১০টা-৫টা)। এছাড়া, বসন্ত লজ ও দুবরাজপুর লজ আছে।

খগেশ্বর শিব মন্দির

দুবরাজপুর থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে মনোরম প্রাকৃতিক শোভা নিয়ে আবৃত ফুলবেড়ে গ্রাম। মোরাম মাটির আঁকাবাঁকা বর্ণময় পথ। উঁচু উঁচু পাড় দিয়ে ঘেরা টলটলে পাহাড়ি জলের পুকুর। ছোটনাগপুর মালভূমির রেঞ্জ শুরু হওয়ার ফলে মাঝে মাঝে উঁচু-নিচু ঢিবি দেখা যায়। এরকমই এক উঁচু ঢিবির রেশ পুকুরের পাড় ধরে চলে গেছে বিখ্যাত শৈব তীর্থ খগেশ্বরনাথের মন্দির পর্যন্ত। মন্দিরটির অবস্থান একেবারে ফাঁকা মাঠের মধ্যে। মন্দিরতলার পশ্চিমে বালিজুড়ি গ্রাম, পূর্ব-দক্ষিণে ফুলবেড়ে। মন্দিরের প্রবেশ পথে প্রাচীন বটগাছ তার শাখা প্রশাখা মেলে ছায়াদানে ব্যাপৃত।

বক্রেশ্বর মন্দিরের আদলেই তৈরি এই মন্দির। কথিত আছে, খগেশ্বর নামে এক সমস্ত রাজার তৈরি এই মন্দির। এই মন্দিরের লাগোয়া পশ্চিমেই পুকুর। শান বাঁধানো সত্যানন্দ ঘাট। কালাপাহাড় নাকি মন্দিরের দেব-দেবীর মূর্তিগুলিকে খণ্ডবিখণ্ড করে ওই পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। শুধু ওই পুকুরেই নয়, গ্রামের বিভিন্ন পুকুর, বৃহৎ জলাশয় দাঁতিন থেকেও প্রচুর প্রত্নসামগ্রী পাওয়া গেছে। পুকুর সংস্কারের সময় একটি কষ্টিপাথরের গোপালও উঠেছিল যাকে এখন মন্দিরে সিমেন্ট দিয়ে বাঁধিয়ে রাখা হয়েছে। মন্দির এবং মন্দির চত্বরের জঞ্জালমুক্ত করে তোলেন মৌনীবাবা ও সচ্চিদানন্দ মহারাজ। তাঁদের উদ্যোগেই ১৩৫৯ বঙ্গাব্দে মন্দিরটির সংস্কার হয়।

দুবরাজপুর শ্রীশ্রীসারদা বিদ্যাপীঠের ভূপানন্দ মহারাজ ১৩৯৭ বঙ্গাব্দে মন্দিরের কিছু কিছু অংশ সংস্কার করেন এবং সামনের আটচালাটিও তাঁরই উদ্যোগে তৈরি হয়। মন্দির চত্বরেই রয়েছে আরও পাঁচটি শিব মন্দির, বিশাল ষাঁড়, মৌনীবাবা, কালীমাতা ইত্যাদি পাথরের মূর্তি সব। কালাপাহাড় কর্তৃক খণ্ডিত মূর্তিগুলি ও শিলালিপিগুলিকে সিমেন্ট দিয়ে এক জায়গায় গেঁথে রাখা হয়েছে। মন্দিরের দরজার ওপরেও একটি শিলালিপি আটকানো আছে যার পাঠোদ্ধার নাকি এখনও সম্ভব হয়নি।
খগেশ্বর বা খগাদিত্য নামে কোনোও সামন্ত রাজা আদৌ ছিলেন কিনা তা ঐতিহাসিক গবেষণার বিষয়। তবে গ্রামের বাতাসে ভেসে বেড়ায়– ওই ওখানে রাজাদের হাতিশালা, ওই ওখানে দৌলতপুর ইত্যাদি। হাতিশালা, ঘোড়াশালার অস্তিত্ব না থাকলেও যেটা রয়ে গেছে তা হল দাঁতিন, এক বিশাল জলাশয়। রাজা নাকি জলসেচের জন্য এই জলাশয় কাটিয়েছিলেন। এই জলাশয়ের দক্ষিণ পাড়ে অধিষ্ঠাতা রয়েছেন দেবী দন্তেশ্বরী। বাচ্চাদের দাঁত উঠলে এখানে পুজো দেবার রীতি আছে।
খগেশ্বরনাথ শিবকে কেন্দ্র করে জমজমাট গাজনের মেলা বসে চৈত্র সংক্রান্তিতে, দু-দিন ব্যাপী। প্রচুর লোক সমাগম হয়। বেতের ছড়ি, বাঁশবাতার পাখা, কাঠমল্লিকা বা গুলঞ্চের মোটা মালা–সব মিলিয়ে খগেশ্বরনাথ জমজমাট হলেও যাতায়াতের পথ খুব একটা সুগম নয়, ফলে এই রকম একটি মন্দির প্রচারের আলো ছাড়াই রয়ে গেছে এখনও পর্যন্ত।

হেতমপুর

দুবরাজপুর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পথ হেতমপুর। বিখ্যাত ভ্রামণিক ভূপতিরঞ্জন দাস হেতমপুরকে একটি সমৃদ্ধশালী ও দর্শনযোগ্য গ্রাম বলে উল্লেখ করেছেন। এই গ্রাম ঘুরলে মনে হয় এত রুচিসম্পন্ন সংস্কৃতিবাহী গ্রাম বোধহয় রাঢ় বাংলায় খুঁজলে দ্বিতীয়টি আর পাওয়া যাবে না। ইতিহাসের বিখ্যাত পুরুষ হাতেম খাঁর নামানুসারেই হেতমপুর প্রচলিত। হেতমপুরে দেখার মতো আকর্ষণীয় জিনিস বহু আছে তার মধ্যে অন্যতম হল কৃষ্ণচন্দ্র কলেজ।

একশো বছরেরও আগেকার কথা। বীরভূম জেলার ছাত্ররা পড়তে যেত বহরমপুর কারণ বীরভূম জেলায় তখন কোনও মহাবিদ্যালয় নেই। দাঁড়কা গ্রামের কন্যা পদ্মসুন্দরী ছিলেন হেতমপুরের মহারানি। তিনি ছাত্রদের দুরবস্থা দেখে উদ্যোগ নিলেন এবং ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হল শ্বশুর কৃষ্ণচন্দ্রের নামে মহাবিদ্যালয়। কলেজটির অবস্থান অতি সুন্দর। বিশাল বাড়ি, বড় বড় খিলান, প্রশস্ত বিস্তৃত এলাকা। সামনে বিশাল পুকুর, নাম লাল দিঘি বা সায়র। দিঘির ঘাটগুলো বাঁধানো। ঘাটের ডাইনে পাশাপাশি পাঁচটি শিব মন্দির। স্থানীয় লোকেরা কদমতলার পঞ্চশিব বলে ডাকলেও কোথাও কোনো কদমগাছের চিহ্নমাত্র নেই। অদূরে আরও তিনটে শিব মন্দির। পাশেই পুরনো রাজবাড়ি। বর্তমানে রাজবাড়িতে স্কুল হয়েছে। সামনে সিংহদরজায় প্রকাণ্ড লোহার গেট। রাজবাড়ির এলাকার মধ্যেই রাধাবল্লভের মন্দির।

হেতমপুরের অন্যতম দ্রষ্টব্য হল হেতমপুরের চক্রবর্তী বংশীয় রাজাদের বাসভবন বা নতুন রাজবাড়ি রঞ্জন প্যালেস। এই প্যালেসটিকে মুর্শিদাবাদের নবাবদের হাজারদুয়ারি প্রাসাদের ক্ষুদ্র সংস্করণ বলা যেতে পারে। সুউচ্চ তোরণবিশিষ্ট সিংহদ্বার, উপরে নহবতখানা, ঘড়িঘর, রাজভবনের সামনের মাঠে নানান ফুল-ফলের গাছ, সাজানো ভাস্কর্য, জলের ফোয়ারা ইত্যাদি। হাজারদুয়ারির মতো রঞ্জন প্রাসাদেও বহু দুষ্প্রাপ্য চিত্রকলা ও প্রাচীন ঐতিহাসিক জিনিসপত্র সংগৃহীত আছে। প্রাসাদ ঘুরে দেখতে গেলে অনুমতি লাগে।
হেতমপুরে বহু প্রাচীন বড় বড় জলাশয় রয়েছে যেগুলো হেতমপুরের সৌন্দর্য বাড়িয়েছে। জলাশয়ের মধ্যে লালদিঘি, গোবিন্দ সাগর ও খাঁয়ের বাঁধ বিখ্যাত। গোবিন্দ সাগরের পাড়ে দুটি মন্দির। ১৮৪৭ সালে তৈরি অষ্টকোণাকৃতি চন্দ্রনাথ শিব মন্দিরটি অভিনবত্বে ভরা, অদূরে দেওয়ানজি শিব মন্দির। দুটি মন্দিরের গায়েই টেরাকোটার কাজ দেখার মতো। এছাড়াও, এখানকার দর্শনীয় স্থান হাফেজ খাঁর বাঁধ, শেরিনা বিবির গোড়, গড়ের মাঠ ইত্যাদি। শেরিনা-হাফেজের প্রেম আখ্যান আজও গাথা হয়ে ফেরে হেতমপুরের মানুষের মুখে। যে রাজবংশ অতীতে দান-দয়া-শিক্ষা-সংস্কৃতি চর্চায় বীরভূমের গৌরব বৃদ্ধি করেছিল তা আজ কেবল স্মৃতির শহর। মাঝে মাঝে বাংলা সিনেমায় এই রাজবাড়ি, চন্দ্রনাথ শিব মন্দিরের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।
হেতমপুরে থাকতে চাইলে থাকা যেতে পারে গড়ের মাঠের মনোরম পরিবেশে বন বিভাগের বাংলোয়। যোগাযোগ : DFO, সিউড়ি। বক্রেশ্বর বা সিউড়িতে রাত্রিবাস করে জায়গাগুলি দেখে নেওয়া যেতে পারে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.