HeaderDesktopLD
HeaderMobile

জমিদাররা নেই, তবে বাহিনের জমিদারবাড়ির পুজোই আজ সার্বজনীন দুর্গোৎসব

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজো (puja) এলেই আলোয় ঝলমল করত সেই জমিদার বাড়ি। পেছনে নাগর নদীর ঘাটে বড় বড় বজরা এসে লাগত। আত্মীয়স্বজন আর অতিথি পরিজনের ভিড়ে গমগম করত গোটা পাড়া। এখন পোড়ো প্রাসাদের পুজোর দালান দেখে সেসব আর বোঝার উপায় নেই। কালের নিয়মে আজ কেবল ধ্বংসাবশেষটুকুই দাঁড়িয়ে রয়েছে নাগর নদীর পাড়ে।

তবে ২০০ বছরের পুরনো ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল বাহিন সার্বজনীন দুর্গাপূজার নাম। এলাকার প্রথম দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন রায়চৌধুরী জমিদাররাই। জমিদারদের অবর্তমানে এলাকাবাসীরাই সেই পুজোকে সার্বজনীন দুর্গোৎসবে পরিণত করেন। সেই পুজো আজও বড় করেই হয় উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বাহিন গ্রামে।

জমিদাররা নেই তো কি, এলাকাবাসীর দাবি, আজও এলাকার অন্যতম বড় দুর্গাপুজো এটাই। বাহিন জমিদার বাড়ির পুজোর দালানেই সেই পুজো হয়। যেখানে আয়োজন নয়, আন্তরিকতাই মূল মন্ত্র।

জমিদারদের বর্তমান প্রজন্মের কেউ আজ আর এখানে থাকেন না। তবু নাগর নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা জমিদার বাড়ির ধংসাবশেষটুকু এখনও এলাকাবাসীর বড় আপন।

শোনা যায়, বাংলা বিহারের বেশকিছু জনপদ মিলিয়ে ছিল তৎকালীন বাহিন জমিদার বাড়ি। সেই বাড়ি ভারত সেবাশ্রম সংঘকে দান করে বাহিন ছেড়ে চলে গিয়েছেন জমিদার বাড়ির সদস্যরা৷ বর্তমানে বাহিন গ্রামের বাসিন্দারাই চাঁদা তুলে পুজোর আয়োজন করেন জমিদার বাড়ির ঠাকুর দালানে। বাহিন সার্বজনীন পুজা কমিটির নামে সেই পুজো হয়। প্রাচীন প্রথা অনুযায়ী আজও দশমীর দিনে বিশাল মেলা বসে।

শোনা যায়, জমিদারদের আন্তরিকতায় মুগ্ধ ছিলেন সকল গ্রামবাসী। তাই মনের গভীরে আজও ধরে রেখেছেন জমিদার বাড়ির খন্ড খন্ড স্মৃতি আর ঐতিহ্য। পরের প্রজন্মকে গল্প করতে করতে জমিদারবাড়ির পুজোই তাই কখন সার্বজনীন হয়ে উঠেছে। গ্রামবাসীর হৃদয়ে অমর হয়েছে সেই ২০০ বছরের ইতিহাস।

 

ভোগের খিচুড়ি থেকে বাদশাহী বিরিয়ানি, এবার পুজোয় বাড়িতে বসেই মিলবে সবকিছু

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.